ধাপে ধাপে কিভাবে একটি সফল বাজেট তৈরী করবেন?
`¶Zvi mv‡_ A_© g¨v‡bR Kiv LyeB
cÖ‡qvRbxq welq, Avi ev‡RU ˆZwi n‡”Q Zvi cÖ_g c`‡¶c| AvR‡K Avgiv †`Le wKfv‡e
GKwU mdj ev‡RU ˆZwi Kiv hvq|
1g avct Avcbvi Avq eySzb-
cÖ_‡g Avcbvi mKj Av‡qi GKwU wj÷ ˆZwi করুন |
†hgbt-
- ·
†eZb ev gRyix|
- ·
e¨emvq n‡Z Avq|
- ·
wd«j¨vwÝs |
- ·
†h‡Kv‡bv Avq|
Gici Avcbvi Avq¸‡jv †hvM K†i †gvU Avq
†ei K†i Zvi †_‡K U¨· Ges Ab¨vb¨ PvR© ev` w`‡q wbU Avq †ei Ki‡Z n‡e|
২য় ধাপ ঃ খরচ লিপিবদ্ধ করাঃ-
আপনার খরচের একটা তালিকা তৈরি করুন । আপনার খরচগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করুন। স্থির ব্যয় এবং পরিবর্তনশীল ব্যয়ে।
যেসব ব্যয়ে আপনার প্রতিমাসে কোন পরিবর্তন হয় না সেগুলোকে স্থির ব্যয়ে তালিকাভুক্ত করুন। যেমনঃ-বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, ঋণের কিস্তি ইত্যাদি।
যেসব ব্যয়ে প্রতিমাসে পরিবর্তনশীল সেগুলোকে পরিবর্তনশীল ব্যয়ে তালিকাভুক্ত করুন। যেমনঃ- খাবার, যাতায়াত ভাড়া, মোবাইল রিচার্জ ইত্যাদি।
কমপক্ষে ১ থেকে ২ মাসের খরচের হিসাবগুলো ট্রাক করুন যাতে আপনার খরচের অভ্যাস খুব সহজে বুঝা যায় । এর জন্যে ব্যবহার করতে পারেন নোটবুক, স্প্রেডশিট, এন্ড্রয়েড এপ ইত্যাদি।
৩য় ধাপঃ আর্থিক লক্ষ্য সেট করাঃ
আপনার আর্থিক লক্ষ্যকে স্বল্প মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদি ২ ই ভাগে ভাগ করুন। ক্রেডিট কার্ডের ঋণ পরিশোধ , জরুরী তহবিল, ছুটির জন্য সঞ্চয় কিংবা ছোট কাটো সঞ্চয় গুলোকে স্বল্প মেয়াদি লক্ষ্যের মধ্যে রাখা যায়। সাধারণত যেসব লক্ষ্য এক বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলোকে স্বল্প মেয়াদী লক্ষ্যে রাখতে হবে।
ভবিষ্যতে বাড়ি কিনা, জায়গা কিনা , গাড়ির কিনার ইত্যাদি লক্ষ্য গুলোকে দীর্ঘ মেয়াদি লক্ষ্যের মধ্যে শ্রেণীভুক্ত করা যায়।
৪র্থ ধাপ: আপনার বাজেট তৈরি করুন
একটি বাজেটিং পদ্ধতি নির্বাচন করুন-
বাজেট তৈরির জন্য কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে:
৫০/৩০/২০ নিয়ম: আপনার আয়ের
৫০% প্রয়োজনীয়তার জন্য, ৩০% ইচ্ছার জন্য এবং ২০% সঞ্চয় ও ঋণ পরিশোধের জন্য বরাদ্দ
করুন।
জিরো-বেসড বাজেটিং: প্রতিটি
টাকার একটি উদ্দেশ্য থাকা উচিত, তাই আপনার আয় এবং ব্যয় একত্রে জিরো হওয়া উচিত।
এনভেলপ সিস্টেম: বিভিন্ন
খরচের বিভাগের জন্য নগদ বরাদ্দ করুন। একবার নগদ শেষ হলে, সেই বিভাগে আর খরচ করবেন না!
ট্র্যাক করা ব্যয় এবং আয় ব্যবহার করে একটি বাজেট তৈরি করুন। আপনার খরচের জন্য বাস্তবসম্মত হন এবং অপ্রত্যাশিত খরচের জন্য কিছু জায়গা রাখুন।
৫ম ধাপ: মনিটর করুন এবং সমন্বয় করুন
মাসিক পর্যালোচনা করুনঃ-
প্রতিটি মাসের শেষে, আপনার প্রকৃত খরচকে
বাজেটের সাথে তুলনা করুন। দেখুন কোথায় আপনি বেশি খরচ করেছেন বা সঞ্চয় করেছেন। আপনার
বাজেটকে সঠিকভাবে মানিয়ে নিতে প্রয়োজন হলে সমন্বয় করুন।
নমনীয় থাকুন
জীবন পরিবর্তিত হয়, এবং আপনার আর্থিক
পরিস্থিতিও হবে। যদি কিছু বিভাগের জন্য সমন্বয় প্রয়োজন হয়, তবে আপনার জীবনযাত্রার
সাথে আরও ভালভাবে মানিয়ে নেওয়ার জন্য পরিবর্তন করতে দ্বিধা করবেন না।
৬ষ্ট ধাপ: প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকুনঃ
দায়িত্বশীলতা
আপনার বাজেট একজন পরিবার বা বন্ধুদের
সঙ্গে শেয়ার করুন যারা আপনাকে দায়িত্বশীল রাখতে সহায়তা করতে পারে। নিয়মিত আপনার
আর্থিক লক্ষ্যগুলি আলোচনা করা আপনাকে ট্র্যাক রাখার জন্য অনুপ্রাণিত করতে পারে।
মাইলস্টোন উদযাপন করুন
যখন আপনি আর্থিক মাইলস্টোন অর্জন করবেন,
যেমন একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সঞ্চয় বা ঋণ পরিশোধ, তা স্বীকৃতি দিন এবং উদযাপন করুন।
এটি আপনার প্রেরণা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং বাজেট তৈরির যাত্রায় আপনাকে ব্যস্ত রাখতে
সাহায্য করতে পারে।
বাজেট তৈরি করা অর্থনৈতিক
স্থিতিশীলতা এবং প্রবৃদ্ধির জন্য একটি শক্তিশালী উপায়। এই পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করে,
আপনি আপনার আর্থিক পরিস্থিতির একটি পরিষ্কার চিত্র তৈরি করতে এবং আপনার ব্যক্তিগত আর্থিক
লক্ষ্যগুলি অর্জনের দিকে কাজ করতে পারেন। আজই শুরু করুন এবং আপনার আর্থিক ভবিষ্যতের
উপর নিয়ন্ত্রণ রাখুন!
শুভ বাজেটিং! যদি আপনার কোন প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকে, তবে দয়া করে
নিচে মন্তব্য করুন।

No comments